Home রাজনীতি বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ আবদুল আজিজ খন্দকার | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

আবদুল আজিজ খন্দকার | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

0
আবদুল আজিজ খন্দকার | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

আবদুল আজিজ খন্দকার বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক যিনি তৎকালীন পটুয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।

আবদুল আজিজ খন্দকার | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

আবদুল আজিজ খন্দকার | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
জাতীয় সংসদ

 

প্রাথমিক জীবন

আবদুল-আজিজ খন্দকার ১৯২৩ সালে পটুয়াখালীর বাউফলের বেলিতলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোবারক আলী খন্দকার। তিনি বাউফল বীরপাশা স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং বরিশাল বিএম কলেজ থেকে ১৯৪৬ সালে বিএসসি পাস করেন। ১৯৫৪ সালে এলএলবি ডিগ্রী করেন তিনি।

তার ছেলে খোন্দকার শামসুল হক রেজা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

রাজনৈতিক জীবন

আবদুল আজিজ-খন্দকার আইনজীবী ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। তিনি পটুয়াখালী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কর্ম জীবনের শুরুতে সরকারি চাকরি করতেন। ১৯৬২ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে পটুয়াখালীতে আইন ব্যবসা শুরু করেন। তিনি ৬ দফা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৭০ সালে তিনি তৎকালীন পাকিস্তানের এমপিএ নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন পটুয়াখালী-৬ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মৃত্যু

আবদুল আজিজ-খন্দকার ১৯৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

সংসদ সদস্য সম্পর্কে তথ্যঃ

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

আবদুল আজিজ খন্দকার | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ
জাতীয় সংসদ

 

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here