চাই থোয়াই রোয়াজা | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

চাই থোয়াই রোয়াজা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটির একজন রাজনীতিবিদ যিনি তৎকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।

চাই থোয়াই রোয়াজা | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

চাই থোয়াই রোয়াজা | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

প্রাথমিক জীবন

চাই থোয়াই রোয়াজা ১৬ ডিসেম্বর ১৯৩০ সালে পার্বত্য রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার কলমপতির হেডম্যানপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৃত নিচাই প্রু রোয়াজা। মাতা মৃত চুনিলা মার্মা।

রাজনৈতিক জীবন

চাই থোয়াই রোয়াজা ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২৫ জানুয়ারী ১৯৭৫ সালে বাকশাল আইন পাশ হলে সকল সংসদ সদস্যের বাকশালে যোগদান বাধ্যতামূলক করা হয় এবং যারা বাকশালে যোগদান করবে না তাদের সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হয়। মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ও আবদুল্লাহ সরকার বাকশালে যোগ দেন নাই। পার্বত্য চট্টগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য চাই থোয়াই রোয়াজা আত্মগোপণে চলে যান।

তিনি ১৯৫৩ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত হেডম্যান ও ১৯৫৯ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত কলমপতি ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন।

 

চাই থোয়াই রোয়াজা | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

মৃত্যু

চাইথোয়াই রোয়াজা ৯ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

সংসদ সদস্য:

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

চাই থোয়াই রোয়াজা | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment