এনামুল হক | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

এনামুল হক বাংলদেশের রাজশাহী জেলার রাজনীতিবিদ, প্রকৌশলী ও রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য।

এনামুল হক | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

এনামুল হক | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

এনামুল হকের ২১ অক্টোবর ১৯৬৯ সালে রাজশাহী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। মোট ৮ ভাইবোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। তিনি প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে পরে এমবিএ করেন৷

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন

এনামুল হক ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-৪ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্যক্তিগত জীবন

এনামুল হক সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে বিয়ে করেন। প্রথম স্ত্রী সঞ্চিতা ওরফে তহুরা এর ঘরে তার তিনটি সন্তান যথাক্রমে মেয়ে তানজিয়া ফারহানা হক তান্নি, দ্বিতীয় পুত্র এহ্তেশামুল হক তমাল এবং সর্বশেষ ছোট ছেলে মুফতাসিমুল হক তাজদীদ। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল আয়েশা আক্তার লিজা‘র সাথে তার দ্বিতীয় বিবাহ হয়। স্ত্রীর মর্যাদা চেয়ে লিজা প্রকাশ্য হলে ২০২০ সালে লিজা’র সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।

 

এনামুল হক | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

সমালোচনা

এনামুলের বিরুদ্ধে আয়েশা আক্তার লিজা নামের এক নারীর দাবী, তাকে ৩০ এপ্রিল ২০১৩ সালে প্রেম করে প্রতারণা করে গোপনে বিয়ে করেন ২০১৫ সালে অন্তঃসত্ত্বা হলে এনামুল বাচ্চা নষ্ট করান। ১১ মে ২০১৮ সালে তারা রেজিস্ট্রি করে পুনরায় বিয়ে করেন। স্ত্রী হিসেবে তাকে কারও সামনে স্বীকৃতি দেননি। এনামুল হকের আগের স্ত্রী ও পরিবার বিষয়টি জানতেন। এনামুল লিজাকে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছেন। তবে এনামুলের দাবি, তিনি আয়েশার ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির শিকার হয়ে বিয়ে করেছেন এবং ডিভোর্স করেন।

সংসদ সদস্য:

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

 

এনামুল হক | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন