খুলনা সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ড সমুহের পরিচিতি [ Wards of Khulna City Corporation]

This post is also available in: বাংলাদেশ

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়তন ১৭.৬২ বর্গমাইল (৪৫.৬৫ বর্গকিলোমিটার)। জনসংখ্যা প্রায় ১৫ লক্ষ। এ কর্পোরেশনের অধীনে রয়েছে ৩১টি ওয়ার্ড। এই ৩১টি ওয়ার্ড থেকে ৩১জন নির্বাচিত কমিশনার, ১০জন নির্বাচিত মহিলা কমিশনার এবং ৫জন পদাধিকার বলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমিশনারসহ মোট ৪৬জন কমিশনার নিয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশন গঠিত। ১৪ই সেপ্টেম্বর ২০০৮ সালে আব্দুল খালেক তালুকদার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সপ্তম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশন, Nagar Bhaban Khulna, খুলনা নগর ভবন
Nagar Bhaban Khulna, খুলনা নগর ভবন

 

Table of Contents

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড পরিচিতি

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ড :

১নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে পৌর এলাকার শেষ সীমানা, দক্ষিণে কেদারনাথ রোড ও মহেশ্বরপাশা মেইন রোড। পশ্চিমে পৌর এলাকার শেষ সীমানা ও পূর্বে যশোর রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ৩.৩৭ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা ৩৭,০৯০ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ এতিমখানা, পুলিশ ফাঁড়ি, শিশুসদন, শহিদ জিয়া কলেজ, মহেশ্বরপাশা বালিকা বিদ্যালয়, দৌলতপুর আলিয়া মাদ্রাসা প্রভৃতি।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ড :

২নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে মিরেরডাঙ্গা মৌজার শেষ সীমানা, দক্ষিণে রেলগেট রোড, পশ্চিমে যশোর রোড এবং পূর্বে ভৈরব নদী। ওয়ার্ডের আয়তন ৫.২৭ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা ২৪,০৬৫ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হলো সি এস ডি, কৃষ্ণমোহন উচ্চ বিদ্যালয়, এফআইডিসি, টিবি হাসপাতাল, আইডি হাসপাতাল, এজক্স জুট মিল, সোনালী জুট মিল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩ নং ওয়ার্ড :

৩নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে কেদারনাথ রোড ও মহেশ্বরপাশা মেইন রোড হয়ে পৌর এলাকার শেষ সীমানা, দক্ষিণে কৃষি কলেজের উত্তর সীমানার বাউন্ডারি ও মহেশ্বরপাশা মৌজা এরিয়া, পশ্চিমে মহেশ্বরপাশা মৌজা এরিয়া এবং পূর্বে খান এ সবুর রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ৩.২২ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৩৯,৫৩৫ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ মহেশ্বরপাশা কবরখানা, দৌলতপুর থানা, মহসিন গার্লস স্কুল, মহসিন গার্লস কলেজ প্রভৃতি।

Khulna University, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
Khulna University, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ড :

৪নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে দেয়ানা মৌজার সীমানা হয়ে কৃষি কলেজ এলাকার শেষ সীমানা দিয়ে খান এ সবুর রোড হয়ে রেলগেট সংযোগস্থল পর্যন্ত বরাবর ভৈরব নদী। দক্ষিণে দেয়ানা মৌজার বাউন্ডারি, সাতক্ষীরা রোডের সংযোগস্থল হয়ে রেললাইন অতিক্রম করে পুরানো স্টিমার ঘাট পর্যন্ত। পূর্বে ভৈরব নদী এবং পশ্চিমে দেয়ানা মৌজার কাটাখালি খাল। ওয়ার্ডের আয়তন ৩.২৪ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ২২,৪১২ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ কবরখানা, কৃষ্ণমোহন ইনস্টিটিউট, কৃষি কলেজ, কল্পতরু সুপার মার্কেট প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৫ নং ওয়ার্ড :

৫নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে সাতক্ষীরা রোড ও পৌর এলাকার শেষ পর্যন্ত এবং রেললাইন অতিক্রম করে পুরানো স্টিমার ঘাট পর্যন্ত। দক্ষিণে পাবলা মেইন রোড, প্রতাপাদিত্য রোড ও লঞ্চঘাট রোড। পূর্বে ভৈরব নদী এবং পশ্চিমে দেয়ানা মৌজার বাউন্ডারি। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫৭ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৩০,৪৩০ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ কমিউনিটি সেন্টার, দৌলতপুর বাজার, দৌলতপুর লঞ্চঘাট প্রভৃতি।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৬ নং ওয়ার্ড :

৬নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে পাবলা রোড, প্রতাপাদিত্য রোড ও লঞ্চঘাট রোড। দক্ষিণে দৌলতপুর বাজারের শেষ প্রান্ত এবং বি ডি আর ক্যানেল। পূর্বে ভৈরব নদী এবং পশ্চিমে পৌর এলাকার শেষ সীমানা। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫০ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৪০,৩৩৬ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হলো বি এল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, পি ডি বি, বেবি টেক্সি স্ট্যান্ড, ৭১ স্মৃতি ভাস্কর্য প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ড :

৭নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ভৈরব নদী, দক্ষিণে বি আই ডি সি রোড, পূর্বে গোয়ালপাড়া পাওয়ার হাউসের পশ্চিম সীমানা এবং পশ্চিমে পুরানো যশোর রোড, যমুনা অয়েল ডিপো ও দৌলতপুর ও খালিশপুর থানার বাউন্ডারি। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ২৪,৪৪২ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ যমুনা অয়েল ডিপো কোম্পানি, পদ্মা অয়েল কোম্পানি, বার্মা ইস্টার্ন, বার্জ মাউন্টেন প্রভৃতি ।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৮ নং ওয়ার্ড :

৮নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ভৈরব নদী ও গোয়ালপাড়া পাওয়ার হাউসের শেষ সীমানা। দক্ষিণে বি আই ডি সি রোড ও ক্রিসেন্ট জুট মিলের শেষ সীমানা। পূর্বে ভৈরব নদী ও পশ্চিমে বি আই ডি সি রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৩৭ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৩১,৫৬৪ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ পাওয়ার হাউস, পিপলস জুট মিলস্, ক্রিসেন্ট জুট মিলস্ প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৯ নং ওয়ার্ড :

৯নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে বয়রা মৌজার শেষ সীমানা ও দক্ষিণে বয়রা জংশন রোড ও বয়রা জংশন ক্রস রোড বরাবর ভায়া বয়রা গোয়ালখালি রোড দিয়ে কে ডি এ ডিপ ড্রেন হয়ে পুলিশ লাইন ও বাস্তুহারা কলোনীর মধ্য দিয়ে পৌর এলাকার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত। পূর্বে পুরানো যশোর রোড এবং পশ্চিমে পৌর এলাকার শেষ সীমানা। আয়তন ২.৯০ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা ৪৪,০৮১ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ গোয়ালখালি কবরখানা, পুলিশ লাইন, বৈকালী সিনেমা হল, বিভাগীয় স্টেডিয়াম, নেভি স্টাফ কোয়ার্টার প্রভৃতি।

Khulna Medical College, Boys Hostel, খুলনা মেডিকেল কলেজ
Khulna Medical College, Boys Hostel, খুলনা মেডিকেল কলেজ

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ড :

১০নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে বি আই ডি সি রোড, দক্ষিণে হাউজিং ১৮ নং রোড ও পুরানো যশোর রোডের সংযোগস্থল, পূর্বে হাউজিং ১৮নং রোড এবং পশ্চিমে মেইন রেললাইন ও পুরনো যশোর রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৯৮ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৫৫,২০৫ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হলো গোলপার্ক, খালিশপুর সুপার মার্কেট প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১১ নং ওয়ার্ড :

১১ ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে বি আই ডি সি রোড, দক্ষিণে ঈদগাহ রোড ও মার্কেট রোড। পূর্বে বি আই ডি সি রোড এবং পশ্চিমে হাউজিং ১৮নং রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৪৮ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৩৫,৬৬৬৮ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হলো খালিশপুর নিউমার্কেট, ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশুপার্ক, টি এন্ড টি বোর্ড, বাংলাদেশ টেলিভিশন খুলনা উপকেন্দ্ৰ প্ৰভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১২ নং ওয়ার্ড :

১২নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ঈদগাহ রোড ভায়া ১৬নং রোড হয়ে মার্কেট রোড দিয়ে বি আই ডি সি রোডের সংযোগস্থল। দক্ষিণে পুরানো যশোর রোড এবং বিআইডিসি রোডের সংযোগস্থল হতে ১৮নং রোডের সংযোগস্থল পর্যন্ত। পূর্বে বি আই ডি সি রোড এবং পশ্চিমে হাউজিং ১৮নং রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ১.00 বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৩৫,৯৫৪ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ পৌরসভা শাখা অফিস, হাউজিং বাজার, হাজী মোঃ মহসিন কলেজ প্রভৃতি।

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড :

১৩নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলের শেষ সীমানা, দক্ষিণে রথখোলা রোড ও ভ্যালের বিল রোডের সংযোগস্থল ও চরেরহাট রোড। পূর্বে ভৈরব নদী এবং পশ্চিমে ভ্যালের বিল হতে চরেরহাট মেইন রোড হয়ে বি আই ডি সি রোড পর্যন্ত। ওয়ার্ডের আয়তন ১.২২ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৩২,৫৭২ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিল, দৌলতপুর জুট মিল, হার্ডবোর্ড মিল, নিউজপ্রিন্ট মিল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৪ নং ওয়ার্ড :

১৪নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে বয়রা জংশন ক্রস রোড বরাবর বয়রা গোয়ালখালি রোড হয়ে কে ডি এ এর পি ড্রেন, পুলিশ লাইন ও বাস্তুহারা কলোনির মধ্য দিয়ে পৌর এলাকার শেষপ্রান্ত পর্যন্ত। দক্ষিণে জলীল সরণী ও প্রেম কানন রোড। পূর্বে পুরানো যশোর রোড এবং পশ্চিমে পৌর এলাকর শেষ সীমানা। ওয়ার্ডের আয়তন ১.৭০ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৩৭,৫৮৭ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ জিপিও খুলনা পাবলিক কলেজ, সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়, পুলিশ লাইন, প্রেম কানন প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ড :

১৫নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে চরেরহাট মেইন রোড ও খালিশপুর মেইন রোড। দক্ষিণে রুজভেল্ট জেটি ও পুরানো যশোর রোডের সংযোগস্থল। পূর্বে ভ্যালের বিল এবং রথখোলা রোড হয়ে বি,এন,এস তিতুমীরসহ ভৈরব নদী পর্যন্ত। পশ্চিমে পুরানো যশোর রোড হয়ে বি আই ডি সি রোড দিয়ে চরেরহাট মেইন রোডের সংযোগস্থল। ওয়ার্ডের আয়তন ২.৩৯ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৩২,৮২৪ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ বি,এন,এস তিতুমীর, কাস্টমস হাউস, খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নং ওয়ার্ড :

১৬নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে জলীল সরণী, দক্ষিণে বয়রা মেইন রোড, পূর্বে খান এ সবুর রোড ও প্রেম কানন রোড এবং পশ্চিমে পৌর এলাকার শেষ সীমানা। ওয়ার্ডের আয়তন ২.৩০ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৪৫,৪৯২ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ বয়রা বাজার, সড়ক ভবন, পি ডব্লিউ ডি, বি,এম, ডি,সি, সরকারি মনুজান গার্লস স্কুল, পিএমজি ভবন, খুলনা বেতার প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৭ নং ওয়ার্ড :

১৭নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে বয়রা মেইন রোড, দক্ষিণে মজিদ সরণী, পূর্বে খান এ সবুর রোড ও পশ্চিমে পৌর এলাকার শেষ সীমানা। ওয়ার্ডের আয়তন ৩.৪৩ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৪৫,৩৮৮ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ কে ডি এ নিউ মার্কেট, বায়তুন নূর জামে মসজিদ, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ, খুলনা টেক্সটাইল মিল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৮ নং ওয়ার্ড :

১৮নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে মজিদ সরণী, দক্ষিণে গোবরচাকা মেইন রোড এবং হাজী ইসমাইল রোড। পূর্বে কে ডি এ এভিনিউ সংযোগস্থল হতে গোবরচাকা মেইন রোডের সংযোগস্থল এবং পশ্চিমে পৌর এলাকার শেষ সীমানা। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৬৪ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ২৮, ৩৮৯ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ শিববাড়ি মোড়ের ফোয়ারা, জিয়া হল, প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, সোনাডাঙ্গা থানা, পল্লিমঙ্গল গার্লস স্কুল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ড :

১৯নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে কেডিএ এভিনিউ এবং গোবরচাকা মেইন রোড, দক্ষিণে বকসীপাড়া মেইন রোড এবং কবরখানা রোড। পূর্বে কে ডি এ এভিনিউ ও শেরে বাংলা রোড এবং পশ্চিমে গোবরচাকা মেইন রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫৪ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৩৭,৬০১ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ ইসলামাবাদ কমিউনিটি সেন্টার ও পার্ক, পল্লিমঙ্গল হাইস্কুল, দৈনিক তথ্য, দৈনিক জনকণ্ঠ প্রভৃতি।

Khulna Gollamari Sritisoudho, গল্লামারী বধ্যভূমি
Khulna Gollamari Sritisoudho, গল্লামারী বধ্যভূমি

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড :

২০নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ফেরিঘাট থেকে কে ডি এ এভিনিউ সংযোগস্থল পর্যন্ত এবং দক্ষিণে ফারাজীপাড়া রোড। পূর্বে খানজাহান আলী রোড ও পশ্চিমে কে ডি এ এভিনিউ। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৩০ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা ৩৬,৭১১ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ ক্লে ট্যাংক, শেখপাড়া বাজার, আহসানউল্লাহ কলেজ, কে ডি এ ভবন, দৈনিক প্রবাহ প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২১ নং ওয়ার্ড :

২১নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ভৈরব নদী এবং দক্ষিণে খান এ সবুর রোড (হাজী মহসিন রোডের সংযোগস্থল থেকে জোড়াগেট পর্যন্ত)। পূর্বে হাজী মহসিন রোড, লোয়ার যশোর রোড হতে ভৈরব নদী বরাবর এবং পশ্চিমে জোড়াগেট হতে ৭নং ঘাট হয়ে ভৈরব নদী। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫৮ বর্গকিলোমিটার এবং লোকসংখ্যা ৩৭,৩০৪ জন।

উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হলো বি আই ডব্লিউ টি এ, রেল স্টেশন, বড় বাজার, শহিদ হাদিস পার্ক, জেলাবোর্ড, কেন্দ্রীয় কারাগার, জজকোর্ট এলাকা, ডাক বাংলা, সদর পোস্ট অফিস, সার্কিট হাউস, স্টেডিয়াম, বাংলাদেশ ব্যাংক, সদর হাসপাতাল, পিকচার প্যালেস সিনেমা হল, উমেশচন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি, কালেক্টর ভবন, রেজিস্ট্রি অফিস প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ড :

২২নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ভৈরব নদী, দক্ষিণে রূপসা ফেরিঘাট ও ৩০নং ওয়ার্ডের সংযোগ স্থল। পূর্বে ওয়াপদা ভেড়ি বাঁধ, ফরেস্টঘাট হয়ে কাস্টমঘাট পর্যন্ত। পশ্চিমে সাউথ সেন্ট্রাল রোড ও বাবুখান রোডের সংযোগস্থল হতে ফরেস্টঘাট পর্যন্ত। ওয়ার্ডের আয়তন ১.১৬ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৪০,০৪৬ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হলো আজম খান কমার্স কলেজ, সবুরুন্নেসা মহিলা মাদ্রাসা, পাইওনিয়ার গার্লস স্কুল, রূপসা ঘাট, রূপসা বস্তি, জেলা স্কুল, টাউন জামে মসজিদ, পুলিশ লাইন, ফরেস্ট অফিস, ফাতেমা স্কুল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৩ নং ওয়ার্ড :

২৩নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে খান এ সবুর রোড (বাবুখান রোডের মোড় থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত) দক্ষিণে খানজাহান আলী রোড, তথা শান্তিধামের মোড় থেকে বাবুখান রোডের পশ্চিম পার্শ্ব। পূর্বে বাবুখান রোডের পশ্চিম পাশ খানজাহান আলী রোডের সংযোগস্থল থেকে খান এ সবুর রোড পর্যন্ত এবং পশ্চিমে ফেরিঘাট থেকে খানজাহান আলী রোড হয়ে শান্তিধামের মোড় পর্যন্ত।

ওয়ার্ডের আয়তন ০.৮৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩৪,৪৬৯ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ করোনেশন গার্লস স্কুল, সিটি ল’কলেজ, সেন্ট যোশেফ হাইস্কুল, প্রেস ক্লাব, ডায়েবেটিক হাসপাতাল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ড :

২৪নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ময়লাপোতার মোড় থেকে খানজাহান আলী রোড পর্যন্ত এবং দক্ষিণে গল্লামারি ব্রিজ নিরালা আবাসিক এলাকা দিয়ে হরিণটানা মৌজার সংযোগস্থল। পূর্বে খানজাহান আলী রোড হয়ে ইসলামপুর রোড ও রায়পাড়া ক্রস রোড হয়ে বাগমারা মেইন রোডের পশ্চিম পাশ দিয়ে হরিণটানা মৌজার সংযোগস্থল।

পশ্চিমে শেরে বাংলা রোড, ময়লাপোতার মোড় থেকে গল্লামারি ব্রিজ পর্যন্ত। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৫২, ৬২৪ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হযরত বুড়ো মৌলভির দরগা, গরীব নেওয়াজ ক্লিনিক, নিরালা পাইকারি কাঁচা বাজার, দৈনিক পূর্বাঞ্চল, দৈনিক জন্মভূমি প্রভৃতি।

 

Khan Jahan Ali Bridge, Khulna , খান জাহান আলী সেতু, খুলনা
Khan Jahan Ali Bridge, Khulna , খান জাহান আলী সেতু, খুলনা

 

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৫ নং ওয়ার্ড :

২৫নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ফেরিঘাট হতে কে ডি এ এভিনিউ সংযোগস্থল পর্যন্ত, দক্ষিণে ফারাজীপাড়া রোড। পূর্বে খানজাহান আলী রোড (ফেরিঘাট থেকে ফারাজীপাড়া রোডের সংযোগস্থল পর্যন্ত) এবং পশ্চিমে কে ডি এ এভিনিউ। ওয়ার্ডের আয়তন হলো ১.১০ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৩৩, ৩৩৯ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ বসুপাড়া কবরখানা, বসুপাড়া এতিমখানা, বানরগাতি বাজার প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ড :

২৬নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে নর্থ খাল, ব্যাংক রোড, দক্ষিণে শেরে বাংলা রোড। পূর্বে শেরে বাংলা রোড এবং পশ্চিমে বানরগাতি এক্সটেনশন রোড। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৮৫ বর্গকিলোমিটার, জনসংখ্যা ৩৩,১০৮ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ লায়ন্স স্কুল, বিহারী কলোনী, বানিয়াখামার স্কুল, জেলা নির্বাচন অফিস প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ড :

২৭নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে খানজাহান আলী রোড (শান্তিধাম মোড় থেকে পি টি আই-এর মোড় পর্যন্ত) দক্ষিণে ক্ষেত্রখালি খাল তথা পৌর এলাকার শেষ সীমানা। পূর্বে মিয়াপাড়া মেইন রোড হয়ে বি কে মসজিদ রোডের সংযোগস্থল হতে ক্ষেত্রখালি খাল পর্যন্ত এবং পশ্চিমে ইসলামপুর রোড হয়ে শীতলাবাড়ি রোড ও বাগমারা মেইন রোড হয়ে ক্ষেত্রখালি খাল তথা পৌর এলাকার শেষ সীমানা।

ওয়ার্ডের আয়তন ০.৮৬ বর্গকিলোমিটার, জনসংখ্যা ৫০,৮৩৫ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ এম.এম সিটি কলেজ, প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পি টি আই), জাতিসংঘ পার্ক, মিস্ত্রীপাড়া বাজার প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৮ নং ওয়ার্ড :

২৮নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে খানজাহান আলী রোড (পি টি আই-এর মোড় হতে টুটপাড়া মেইন রোডের মোড় পর্যন্ত), দক্ষিণে ক্ষেত্রখালি খাল তথা পৌর এলাকার শেষ সীমানা। পূর্বে টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড হতে কলপাড়া রোড হয়ে টুটপাড়া মেইন রোড হতে টুটপাড়া ক্রস রোড হয়ে ক্ষেত্রখালি খাল পর্যন্ত।

পশ্চিমে মিয়াপাড়া মেইন রোড (পি টি আই-এর মোড় থেকে পৌর এলাকার শেষ সীমানা)। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৫৭ বর্গকিলোমিটার, জনসংখ্যা ৩৫,৩০৪ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ ওয়ার্ড অফিস কাম শপিং সেন্টার, টুটপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং ওয়ার্ড :

২৯নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে সাউথ সেন্ট্রাল রোড (বাবুখান রোডের সংযোগস্থল থেকে গগনবাবু রোড পর্যন্ত), দক্ষিণে খানজাহান আলী রোড (বাবুখান রোডের সংযোগস্থল থেকে রূপসা স্ট্যান্ড রোড পর্যন্ত)। পূর্বে রূপসা স্ট্যান্ড রোড ও গগনবাবু রোড হয়ে সেন্ট্রাল রোডের সংযোগস্থল পর্যন্ত এবং পশ্চিমে বাবুখান রোড তথা সাউথ সেন্ট্রাল রোডের সংযোগস্থল থেকে খানজাহান আলী রোড পর্যন্ত। ওয়ার্ডের আয়তন ০.৯১ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ৩৪,০৭০ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ মিউনিসিপ্যাল ট্যাংক, কে সি সি অফিসার্স কোয়াটার্স, কয়লাঘাটা প্রাইমারি স্কুল, সরকারি পাইওনিয়ার মহাবিদ্যালয়, সবুরুন্নেসা গার্লস স্কুল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩০ নং ওয়ার্ড :

৩০নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে খানজাহান আলী রোড, দক্ষিণে ক্ষেত্রখালি খাল। পূর্বে রূপসা নদী এবং পশ্চিমে টুটপাড়া মেইন রোড তথা কবরখানা মোড় থেকে টুটপাড়া ক্রস রোড হয়ে মতিয়াখালি খাল পর্যন্ত। ওয়ার্ডের আয়তন ১.২৪ বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ৫৯.৩৮৫ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ হলো টুটপাড়া কবরখানা, কলেজিয়েট গার্লস স্কুল, দাদা ম্যাচ, সুন্দরবন কলেজ, জোড়াকল বাজার, তালতলা হাসপাতাল প্রভৃতি।

 

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নং ওয়ার্ড :

৩১নং ওয়ার্ডের সীমানা হলো উত্তরে ক্ষেত্রখালি খাল, দক্ষিণে লবণচরা মৌজার শেষ সীমানা। পূর্বে রূপসা নদী এবং পশ্চিমে হরিণটানা মৌজার সংযোগস্থল তথা পৌর এলাকার শেষ সীমানা। ওয়ার্ডের আয়তন ১.১৬ বর্গকিলোমিটার, জনসংখ্যা ৪৬,৪৬৪ জন। উল্লেখযোগ্য স্থাপনাসমূহ জান্নাতুল বাকী কবরখানা, হাজী মালেক ইসলামিয়া কলেজ, খুলনা শিপইয়ার্ড, কোরেশী স্টিল মিল, বাংলাদেশ অক্সিজেন, লবণচরা বাজার প্রভৃতি।

আরও দেখুন:

This post is also available in: বাংলাদেশ

মন্তব্য করুন