জুয়েল আরেং | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

জুয়েল আরেং হলেন ময়মনসিংহ জেলায় জন্মগ্রহণকারী একজন বাংলাদেশী, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী, গারো সম্প্রদায়ভুক্ত রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি ময়মনসিংহ-১ থেকে নির্বাচিত ১০ম ও ১১দশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য। 

জুয়েল আরেং | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জুয়েল আরেং | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

জুয়েল আরেং ১৯৮৩ সালের ১৬ অক্টোবর ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা প্রাক্তন সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন। তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

রাজনৈতিক জীবন

জুয়েল আরেং তার পিতার মৃত্যুর পর রাজনীতিতে আসেন। ১১ই মে ২০১৬ সালে তার পিতা প্রমোদ মানকিন মৃত্যুরবরন করলে ময়মনসিংহ-১ আসনটি শুন্য হয়। ১৮ জুলাই শুন্য আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যাতে তিনি নৌকা প্রতিক নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। জুয়েল তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সেলিনা খাতুনকে ১৫৫,৮৬৬ ভোটে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ২৬ জুলাই ২০১৬ সালে তিনি সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে অংশগ্রহণ করেন এবং ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

 

জুয়েল আরেং | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

সংসদ সদস্য:

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

জুয়েল আরেং | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

“জুয়েল আরেং | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ”-এ 1-টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন