দীঘলিয়া উপজেলা, খুলনা [ Dighalia Upazila, Khulna ]

This post is also available in: বাংলাদেশ

দীঘলিয়া উপজেলা, খুলনা [ Dighalia Upazila, Khulna ] জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন জনপদ। বিভাগীয় ও জেলা শহর খুলনা থেকে এর দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। উপজেলা প্রায় ২২°৫১ ও ২৩% উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯৩১ ও ৮৯৩৭ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।

 

Dighalia Upazila Map, Khulna, দীঘলিয়া উপজেলা ম্যাপ, খুলনা
Dighalia Upazila Map, Khulna, দীঘলিয়া উপজেলা ম্যাপ, খুলনা

 

এ উপজেলার আয়তন ৮৬.৫২ বর্গমিটার। ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এ উপজেলার লোকসংখ্যা ১,৪৩,৫৯৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৭৭,৬১৯ জন এবং মহিলা ৬৫,৯৭৯ জন। পুরুষ মহিলার অনুপাত ৮:৭। এ উপজেলার উত্তরে যশোর জেলার অভয়নগর ও নড়াইল জেলার কালিয়া, পূর্বে তেরখাদা ও রূপসা উপজেলা। দক্ষিণে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং পশ্চিমে খুলনা সিটি কর্পোরেশন, ফুলতলা উপজেলা ও যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলা।

১৯৮৭ সালের ১২ জানুয়ারি দীঘলিয়া উপজেলা ঘোষিত হয়। এর আগে ১৯৮৬ সালের ৩ জুলাই দীঘলিয়া থানায় রূপান্তরিত হয়। দীঘলিয়া স্বতন্ত্র থানা হবার পূর্ব পর্যন্ত দৌলতপুর থানার অন্তর্গত ছিল। ১৯১৭ সালের পূর্বে দৌলতপুর ছিল ‘নয়াবাদ’ থানার মধ্যে। ব্রিটিশ আমলের পূর্বে এ উপজেলা ‘ইউসুফিয়া’ পরগণার অধীন ছিল। দীঘলিয়া উপজেলা ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত (১৯৮৬) এটি ছিল দৌলতপুর থানার অন্তর্গত।

দীঘলিয়া উপজেলার ইউনিয়ান:

দীঘলিয়া উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি। এগুলো হলো: ১) দীঘলিয়া সদর, ২) সেনহাটি, ৩) গাজীর হাট, ৪) বারাকপুর, ৫) আড়ংঘাটা, ৬) যোগীপোল।

এর মধ্যে আড়ংঘাটা ও যোগীপোল খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে অবস্থিত। এ দুটি ইউনিয়ন প্রশাসনিকভাবে (পুলিশি) খানজাহান আলী ও দৌলতপুর থানার অন্তর্গত। দীঘলিয়া উপজেলা এখান থেকে রাজস্ব আয় করে থাকে। নীচে ইউনিয়ন অনুসারে গ্রামগুলোর নাম দেয়া হল :

 

(১) দীঘলিয়া ইউনিয়ন:

দীঘলিয়া ইউনিয়নে মোট গ্রামের সংখ্যা ৮ টি। গ্রামগুলো হল- দীঘলিয়া সদর, মহেশ্বরপুর, দেয়াড়া, সুগন্ধি, ফরমাইশখানা, ব্রাহ্মগাতি, পানিগাতি ও গোয়ালপাড়া।

 

(২) সেনহাটি ইউনিয়নঃ

সেনহাটি ইউনিয়নে মোট গ্রামের সংখ্যা ৫ টি। গ্রামগুলো হল- সেনহাটি, চন্দীমহল, হাজীগ্রাম, বোকদিয়া বাতিভিটা।

সেনহাটি একটি অত্যন্ত বর্ধিষ্ণু এলাকা বলে স্বীকৃত। ঐতিহাসিক সতীশ চন্দ্র মিত্র সেন আমলে এখানে জনবসতি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে লক্ষ্মণ সেনের আমলে এ স্থানের নাম ছিল ‘ছুঁচোহাটি’। গুড়োগাঞ্জি ব্রাহ্মণ কাটানি চক্রবর্তী এ এলাকা আবাদ করেন। তবে ঐ আমলের কোনো ঐতিহাসিক প্রত্ননিদর্শন খুঁজে পাওয়া যায় না।

 

Dighalia Upazila Health Complex, Khulna, দীঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খুলনা
Dighalia Upazila Health Complex, Khulna [ দীঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, খুলনা ]

সেনহাটি গ্রামে কয়েকটি প্রাচীন মন্দির রয়েছে। এরমধ্যে সেনহাটি শিববাড়ির কালী মন্দিরটি সবচেয়ে প্রাচীন বলে জনশ্রুতি আছে। এটি দেড় শতাধিক বছর আগে প্রতিষ্ঠিত বলে ধারণা করা হয়। এছাড়া কবি কৃষ্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউটের পাশের কালীবাড়ি মন্দির, পুটিমারি খোলার কালী মন্দির ও দীঘলিয়ার ঘোষগাতি গ্রামের কালী মন্দির উল্লেখযোগ্য। এ মন্দিরগুলো এত প্রাচীন যে এর প্রতিষ্ঠাকাল জানা যায়নি। এছাড়া ১৩৪৯ সালে শিববাড়িতে রায় কুমুদ বন্ধু দাসের স্ত্রী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাসুদেব মন্দির রয়েছে।

পীর খানজাহান আলী (রঃ)-এই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে রাস্তা নির্মাণ, দিঘি ও পুকুর খনন করেন। এখনও তাঁর স্মৃতি বহন করছে পানিগাতি খানজাহান আল সীমানন্দ দিঘি সেনহাটি গ্রামের উত্তর দিকে অবস্থিত একটি বিশাল দিঘি। খানজাহান আলী ফরমাইশ খানায় বসে ফরমায়েশ বা আদেশ জারি করতেন এবং বারাকপুর ব্যারাক বা তাবু ফেলেছিলেন বলে স্থান দুটোর

নাম যথাক্রমে-ফরমাইশ থানা ও বারাকপুর হয় বলে শোনা যায়। ১৬০৪ খ্রিস্টাব্দে মহারাজ প্রতাপাদিত্যের যশোর রাজ্য মোঘল অধিকারভুক্ত হলে নূর উল্লাহ খাঁ ফৌজদার নিযুক্ত হন। তাঁর কর্মচারী রাজারাম সরকারের কন্যার সাথে জামাতা লাল খাঁর এক অপূর্ব প্রেমকাহিনি শোনা যায়। দীঘলিয়ার সেনহাটিতে খননকৃত লাল খাঁর দিঘি বা সরকার ঝি দিখি সে প্রেমের করুণ স্মৃতি এখনও বহন করছে।

 

(৩) বারাকপুর ইউনিয়ন:

বারাকপুর ইউনিয়নে মোট গ্রামের সংখ্যা ১১ টি। গ্রামগুলো হল- বারাকপুর সদর, লাখোরহাটি, নন্দনপ্রতাপ, আড়ুয়া, আঙুয়ালক্ষীকাটি, আমবাড়িয়া, রাধামাধবপুর, কামারগাতি, বোয়ালিয়ার চর, ঘোষগাতি মল্লিকপুর।

 

(৪) গাজীর হাট ইউনিয়ন:

গাজীর হাট ইউনিয়নে মোট গ্রামের সংখ্যা ১৮ টি। উল্লেখযোগ্য গ্রামগুলো হল- গাজীরহাট, বাগমারা, পারমচন্দপুর, সেনাকুড়, জুগুশিয়া, ডোমরা, আবালগাতি, আমবাড়িয়া, আমবাড়িয়া (মুসলিম), ইসলামডাঙ্গা, পদ্মাবিলা, মাঝিরগাতি, কৈবর্তগাতি, কেটলা, মোল্লাডাঙ্গা, বামনডাঙ্গা, মহিষদিয়া দরি মহিষদিয়া।

 

(৫) আড়ংঘাটা ইউনিয়ন:

আড়ংঘাটা ইউনিয়নে মোট গ্রামের সংখ্যা ১০ গ্রামগুলো হল- আড়ংঘাটা দক্ষিণপাড়া, কাওরাপাড়া, কাপালীপাড়া, মোড়লপাড়া, উত্তরপাড়া, পোদ্দারপাড়া, সর্দারডাঙ্গা, গাইকুড় উত্তপাড়া, গাইকুড় দক্ষিণপাড়া, দেয়ানা (আংশিক)।

 

(৬) যোগীপোল ইউনিয়ন:

যোগীপোল ইউনিয়নে মোট গ্রামের সংখ্যা ৬ টি। গ্রামগুলো হল- যোগীপোল, তেলিগাতি, জব্দীপুর, খানাবাড়ি, রাজাপুর ফুলবাড়ি।

 

দীঘলিয়া উপজেলা সমাজ-সংস্কৃতি-ধর্ম :

দীঘলিয়া উপজেলার সমাজ কাঠামো খুলনা জেলার অন্যান্য উপজেলার থেকে কিছুটা আলাদা। এখানে বসবাসকারী ব্যক্তিদের আমরা ৩টি ভাগ করতে পারি উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত। যাদের সম্পদ নেই তাদের বলা যায় গরীব বা দরিদ্র।

এই উপজেলায় নিম্নবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণির লোকের বসবাস সবচেয়ে বেশি। ভূস্বামীদের কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- গাতিদার, জোতদার বা বড় চাষি/কৃষক-(২৪৫ টি পরিবার), মাঝারি কৃষক-(২৩৩৫ টি পরিবার) ক্ষুদ্র চাষি (৪৮২৫ টি পরিবার) ও প্রান্তিক চাষি-(৫৮৮০টি পরিবার)। এছাড়া ভূমিহীন কৃষক পরিবারও (৫ শতকের নীচে যাদের জমি আছে এমন পরিবার ৫৩৩৫টি) রয়েছে।

 

Dighalia M.A. Mazid Model High School, Dighalia, Khulna
Dighalia M.A. Mazid Model High School, Dighalia, Khulna

 

এ উপজেলায় মুসলমান ও সম্প্রদায়ের পাশাপাশি অল্প কয়েকটি খ্রিস্টান পরিবারও বসবাস করে। মুসলমানদের মধ্যে শিয়া ও সুন্নী উভয় সম্প্রদায়ের লোক রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ব্রাহ্মণ, বৈশ্য ও শূদ্র শ্রেণির লোকজন এখানে কম-বেশি বসবাস করে।

খ্রিস্টানদের মধ্যে এখানে যারা বসবাস করে। তারা ব্যাপ্টিস্ট সম্প্রদায়ের। মুসলমানরা ঈদ, হিন্দুরা বিভিন্ন পূজা-পার্বণ, খ্রিস্টানরা বড়দিনের উৎসব পালন করে। এছাড়া নবান্ন উৎসব, হালখাতা ইত্যাদি হিন্দু মুসলমান উভয় ধর্মের লোকেরা সম্মিলিতভাবে পালন করে।

 

দীঘলিয়া উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা:

দীঘলিয়া উপজেলায় পাকা, আধা পাকা ও কাঁচা এ তিন শ্রেণির রাস্তা রয়েছে। পাকা রাস্তা ৭৭ দশমিক ৮ কিলোমিটার, আধা পাকা রাস্তা ৪২ দশমিক ১৪ কিলোমিটার ও কাঁচা রাস্তা ১৫৭.৭৭ কিলোমিটার | উপজেলায় প্রধানত ভ্যান, টেম্পু, সাইকেল ও মোটর সাইকেল (যাত্রীবাহী) চলাচল করে। টেম্পু ও মোটর সাইকেল ইঞ্জিন চালিত যান।

পণ্য পরিবহনের জন্য এখানে মাঝে মাঝে ট্রাক চলাচল করে। এখানে এক সময় ঘোড়ার গাড়ি, পালকি, গরুর গাড়ি চলাচল করলেও এখন কিছু গরুর গাড়ি ছাড়া অন্য দুটি যানবাহন দেখা যায় না। ভৈরব নদী দিয়ে এক সময় গয়না নৌকা ও স্টিমার চলাচল করত।

নগরঘাটে ভৈরব নদীতে এবং কামারগাতিতে এলজিইডির দুইটি ফেরি আছে। এ ফেরি দিয়ে যানবাহন ও সাধারণত মানুষ পারাপার হয়ে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে দশটির মতো খেয়াঘাট দিয়ে মানুষ পার হয়ে শহরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।

 

দীঘলিয়া উপজেলায় হাট বাজার:

দীঘলিয়া উপজেলায় মোট হাট-বাজারের সংখ্যা ১৬ টি। এগুলো হলো সেনহাটি বাজার, বাতিভিটা হাট (সোম ও শনিবার), স্টার বাজার, চন্দনীমহল চ্যাটার্জী বাজার, ভট্টাচার্য বাজার, পথের বাজার, বানিয়াঘাট বাজার, সন্ন্যাসী বাজার, কামারগাতি হাট (শনি ও মঙ্গলবার), লাখোহাটি হাট (রবি ও বুধবার), গাজীরহাট (সোম ও শুক্রবার), ডোমরা হাট, মাঝিরগাতি হাট (সোম ও শুক্রবার) কোলাহাট (শনি ও মঙ্গলবার), আড়ংঘাটা বাজার ও ফুলবাড়িগেট বাজার।

এখানকার হাট-বাজারগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন সেনহাটি বাজার। এটি একটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন বাজার। নিমু রায় এ বাজারের সূচনা করেন বলে জানা যায়। পূর্বে এ বাজারকে বলা হতো নিমু রায়ের পরে উঠলে এর নাম বড় বাজার। তখন দৌলতপুরেও কোন বাজার দৌলতপুর ও খালিশপুর থেকেও লোকজন এখানে বাজার আসত।

ঐতিহ্যবাহী মেলার জন্যও এলাকা একসময় বিখ্যাত ছিল। সেনহাটি মাঠে সময় একটি প্রাচীন কালী ছিল। কালী পূজার সময় এ সামনের মাঠে এক বিশাল মেলা বসত। দৌলতপুর, খালিশপুরসহ বিভিন্ন এলাকা এমনকি দূর-দূরান্ত থেকেও লোকজন মেলা দেখতে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য এলাকার সেনহাটি তখনও ছিল সমৃদ্ধ জনপদ।

তখন আরও ধরনের মেলা হতো। পূজা উপলক্ষে মেলা হলেও বিভিন্ন লোকজন মেলায় যোগ দিত। দৌলতপুর, খালিশপুর থেকে লোকজন নৌকায় বাঁধা ঘাটে এসে নেমে এসব মেলায় নিত। মেলায় পাওয়া বিভিন্ন আসবাবপত্র। ঘর সাজানোর সামগ্রীর পাশাপাশি নিত্য ব্যবহার্য বিভিন্ন সামগ্রীও মেলা কিনে নিতো। মেলায় বিভিন্ন প্রকার বিনোদনেরও ব্যবস্থা ছিল। পাওয়া যেত বিভিন্ন প্রকার সুস্বাদু খাবার।

 

Dighalia Thanak, দিঘলিয়া থানা
Dighalia Thanak, দিঘলিয়া থানা

 

মেলাকে করে সেনহাটি জমজমাট হয়ে উঠত। এখানে এখন আর ধরনের মেলা না। তবে দুর্গাপূজা ও সময় শিব বাড়িতে ছোট-খাট মেলা বসে। মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব সময় পানিগাতি গ্রামের সুতিরকূলে সময় বিশাল ঈদ বসত। মেলায় পাশাপাশি ধর্মের লোকজনও অংশ নিত। মেলায় বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যেত।

দেয়াড়া ও উপজেলা সদরে বৈশাখি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পূজা অন্যান্য সামাজিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় বিভিন্ন স্থানে আরও কিছু মেলা বসে। মূলত মেলাগুলো সাম্প্রদায়িক উজ্জ্বল নিদর্শন। ঈদের সময় সুতিরকূলে এখন মেলা না। অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বিয়ে, বৌভাত, মুখেভাত বা অন্নপ্রাশন, সুন্নতে প্রভৃতি।

উপজেলায় সরকারি বেসরকারি তবে ১৯১৪ সালে সদ্ভাব শতকের কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের স্মৃতি রক্ষার্থে তোলা হয়েছে কৃষ্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউট বা কেসিআই। এখানে জমজমাট লাইব্রেরিটি গড়ে ওঠে। প্রচুর বই লাইব্রেরিটিতে। ১৯৪৭ সালের পর হিন্দুরা দেশত্যাগ ফলে লাইব্রেরিটি ধ্বংস যায়। বর্তমানে কবি বসতবাড়ি হয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে আছে লাইব্রেরিটি। এলাকাবাসী পুনরায় লাইব্রেরিটিকে গড়ে তোলার চেষ্টা এছাড়া বিভিন্ন স্কুল, কলেজ মাদ্রাসায় লাইব্রেরি রয়েছে।

 

দীঘলিয়া উপজেলার কৃষি, মৎস ও পশুসম্পদ:

উপজেলায় ব্যাপকভাবে মৎস্য চাষ হয়ে থাকে। উপজেলার ১,৬৪৩ জলমহল রয়েছে। ৭৫০ হেক্টর ঘেরে চিংড়ি হয়ে থাকে। ঘেরে মোট চিংড়ির পরিমাণ ১৯৮.৭৫ মেট্রিক টন। দীঘলিয়ায় বাৎসরিক মাছের চাহিদা মেট্রিক টন, বার্ষিক উৎপাদন ২৩৭৩.১৫ মেট্রিক টন। ঘাটতি ১৩৯.১৫ মেট্রিক টন। এছাড়া ১১৩ টি নার্সারি পুকুরে মাছের পোনা উৎপন্ন হয়ে থাকে। এখান থেকে উৎপাদিত মাছের পোনা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়।

মাছ চাষ করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হচ্ছে। প্রধানত বিভিন্ন এনজিও থেকে মৎস্য চাষিরা ঋণ নিয়ে মাছ চাষ করে থাকে। এখানে ৬ টি মৎস্য চাষি সমিতি আছে।

আরও পড়ুন:

This post is also available in: বাংলাদেশ

“দীঘলিয়া উপজেলা, খুলনা [ Dighalia Upazila, Khulna ]”-এ 1-টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন