নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (জন্ম: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৫০) বাংলাদেশের নরসিংদী-৪ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি ১৯৮৬,২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে ৪র্থ বারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত হন। এর আগে তিনি বিভিন্ন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

নূরুল-মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের পৈতৃক বাড়ি নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার গোতাশিয়ার বাগানবাড়ী এলাকায়। তিনি ঢাকা জেলায় পিতা এ্যাডভোকেট এম.এ.মজিদ ও মাতা নূর বেগমের ঘর আলো করে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৫০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এম. এ মজিদ অবিভক্ত বাংলার ইউনিয়ন বোর্ডের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও অনারাররি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকার অন্যতম বিদ্যালয় সেন্ট গ্রেগরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরিক্ষায় উর্ত্তিণ হন। পরবর্তিতে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস সহ একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি ডিগ্রী অর্জন করেন।

 

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

কর্মজীবন

পেশায় আইনজীবী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূণ রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত আছেন। তিনি চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিযুক্ত হন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। তৃনমুল রাজনীতি থেকে উঠে আসা নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বাংলাদেশের একজন অন্যতম সফল রাজনীতিবিদ।

 

নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ (বাংলা: বাংলাদেশ গণসংঘ) বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল। এই রাজনৈতিক দলটির গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। পরবর্তী কালে এর নাম ছিল নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ সাল থেকে এর নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম “আওয়ামী লীগ” করা হয়।

আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন