ওবায়দুল কাদেরঃ বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে

This post is also available in: বাংলাদেশ

বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন দেশের মেগা প্রকল্প নিয়ে বিএনপি’র মেগা মিথ্যাচার তাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালে যারা দেশে একটিও মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখেনি, সেই বিএনপি যখন মেগা প্রকল্প নিয়ে মেগা মিথ্যাচার করে দেশবাসীর মনে তখন বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়।
ওবায়দুল কাদের আজ সোমবার সকালে তাঁর বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের জনগণ আসলে বুঝে গিয়েছে ঈর্ষান্বিত বিএনপি নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গ করতেও দ্বিধা করেনা।
সম্প্রতি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মেট্রোরেলের স্টেশন সংখ্যা নিয়ে মন্তব্য করা প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুলের কাছে আসলে জনস্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কীভাবে টাকা লুটপাট করা যায়। লুটপাট আর লুন্ঠন করতে সিদ্ধহস্ত বিএনপি নেতৃবৃন্দ তাই জনসাধারণের সুবিধার কথা বিবেচনা না করে শুধু টাকার গন্ধ খুঁজে বেড়ায়। শেখ হাসিনা সরকার জনস্বার্থ এবং ব্যয় সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই যে কোন প্রকল্প গ্রহণ করে।

ওবায়দুল কাদেরঃ বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে

পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কমবেশি এক কিলোমিটার দূরত্বে মেট্রোরেলের স্টেশন রয়েছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে সমীক্ষা এবং পরামর্শকের পরামর্শ অনুযায়ী জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈর্ষান্বিত বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ এসব প্রকল্প সম্পর্কে না জেনে না বুঝে একেক সময় একেক রকম বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
‘বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা শয়তানি কারবার’, মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সম্পদ কেউ যদি পাচার করে এবং পরবর্তীতে সেটা যদি ফিরিয়ে আনা হয়, তাহলে তাতো ভালো উদ্যোগ। শয়তানি কারবার হবে কেন?

বিএনপি মহাসচিবের কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি জানতে চান, বিদেশে পাচার করা অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার কথা শুনে আপনাদের গায়ে জ্বালা ধরছে কেন? কীসের এতো ভয়? আপনার বক্তব্য শুনে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে কি আপনারা আপনাদের পাচারকৃত অর্থ দেশে ফিরে আসার আতঙ্কে ভুগছেন?

‘আওয়ামী লীগ একদিনও ক্ষমতায় থাকলে বিএনপিরই ক্ষতি’ বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন,  মির্জা ফখরুল ইসলামের যে ক্ষতির কথা বলেছেন সে ক্ষতির অংকটা বলেননি। প্রতিদিন যে পরিমাণ সম্পদ লুট করতে পারতো বিএনপি, এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলেই মির্জা ফখরুলের মন খারাপ।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতাদের নানা কারণে মন খারাপ। কারণ পদ্মাসেতু উদ্বোধন হতে যাচ্ছে, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্ণফুলী টানেল হয়ে যাচ্ছে। সে জন্যই তাদের মন খারাপ।

 

ওবায়দুল কাদেরঃ বিএনপি সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে চায়

 

বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে : ওবায়দুল কাদের , আওয়ামী  লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘১৫ আগস্টের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’ বিএনপি নেতাদের এমনশ্লোগান তাদের ঘাতক চরিত্রের পরিচয় আবারও স্পষ্ট করেছে।

আজরোববার সকালে তাঁর বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয়প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি ও তাদেরদোসররা সমাবেশের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে,তাদের বক্তব্য বিবৃতিতেকোন শালীনতা,সৌজন্যবোধও দেখাচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও তারা নোংরা ভাষায় শ্লোগান দিচ্ছে, যা কোন ভাবেই মেনেনেয়া যায় না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় শ্লোগান ও গালিগালাজ করার পরিনতি হবে ভয়াবহ।

ওবায়দুল কাদেরঃ বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে

‘এ সরকারের অধীনে নাকি আরকোন নির্বাচন হবে না,নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কোন ব্যক্তি বাগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাচারী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যকে মেনে নেয় না।কোন ষড়যন্ত্রকারীর রক্তচক্ষু ও ত্রাসের কাছে মাথা নত করে না। তিনি বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ওদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার বুটের তলায় পিষ্ট করে কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র চাপিয়ে দিয়ে জাতির সঙ্গে তামাশা করেছিলেন। একই সাথেসেনাপ্রধান এবং রাষ্ট্রপতির পদ দখল করে সংবিধান ও আইনকে ভূলুন্ঠিত করেছিলেন। তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে সে অপরাজনীতির ঐতিহ্য বহন করে চলেছে আজকের বিএনপি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যার ধারাবাহিকতায়কোন আইন বা নিয়ম নীতির কথা শুনলেই বিএনপি নেতাদের গায়ে জ্বালা ধরে। নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, আর এ নির্বাচন কমিশনের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সরকারের অধীনে নয়। শেখ হাসিনা সরকার শুধু নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিবে জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় বাংলাদেশেও সংবিধান অনুযায়ী সেভাবেই যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ওবায়দুল কাদেরঃ বিএনপি নেতাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে

বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করার কথা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা বিএনপি মহাসচিবের মামার বাড়ীর আবদার। বিএনপি একেক সময় একেক দাবি নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। তারা কখনো বলে জাতীয় সরকার, কখনো তত্ত্বাবধায়ক, আবার কখনো বলে নিরপেক্ষ সরকার,দেখতেদেখতে এক যুগেরও বেশি সময় পার করলেন বিএনপি নেতারা কিন্তু এখনো জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে পারেনি আসলে বিএনপি কী চায়?

বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এটাতো মীমাংসিত একটি বিষয়, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন জাদুঘরে। বিএনপির নেত্রীই তো বলেছিলেন শিশু আর পাগল ছাড়া কেউ নাকি নিরপেক্ষ নয়। তবে কি ক্ষমতা পাগল বিএনপি কোন শিশু আর পাগলের অধীনে নির্বাচন চায় কিনা সেটাই প্রশ্ন?
আওয়ামী লীগকে আর ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না, বিএনপিনেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ক্ষমতায় থাকতেদেওয়া না দেওয়ার বিএনপিকে ? ক্ষমতা দেওয়ার মালিক মহান আল্লাহপাক, এবং ক্ষমতার উৎস এদেশের জনগণ। যতদিন জনগণ চাইবে ততদিন শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকবে।

আরও দেখুনঃ 

আঞ্চলিক সংকট মোকাবেলায় অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ প্রস্তাব

ওবায়দুল কাদেরঃ বিএনপি সন্ত্রাসের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে চায়

প্রবীণ ভাষাসৈনিক আব্দুল গাফফার চৌধুরী লন্ডনে মারা গেছেন

প্রধানমন্ত্রীঃ কক্সবাজারে অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ করবেন না

প্রধানমন্ত্রীঃ দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলাম

ওবায়দুল কাদেরঃ জনকল্যাণকর রাজনীতির পথে আসুন

This post is also available in: বাংলাদেশ

মন্তব্য করুন