বেগম হেলেন জেরিন খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

বেগম হেলেন জেরিন খান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রাজনীতিবিদ ও সংরক্ষিত নারী আসন-৩০ থেকে ২০০৪ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।

বেগম হেলেন জেরিন খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

বেগম হেলেন জেরিন খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন

হেলেন জেরিন খান মাদারীপুরের বাগদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আবদুল লতিফ খান মাদারীপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন। তিনি ইডেন কলেজ থেকে ১৯৯৩ সালে ইসলামের ইতিহাসে বিএ পাস করে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে ২০১০ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ ও ২০১২ সালে এলএলবি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ২০০০ সালে জাপান প্রবাসী মো. কাওসারকে বিবাহ করেন।

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন

হেলেন জেরিন খান জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির সহশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক। তিনি ১৯৯১ সালে ইডেন কলেজ ছাত্রী সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক ও সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সংরক্ষিত নারী আসন-৩০ থেকে ২০০৪ সালে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।

তিনি ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাদারীপুর-২ (রাজৈর-সদর) আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মাদারীপুর-২ (রাজৈর-সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। তিনি ঢাকা-১৩ (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শেরেবাংলানগর) আসনে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী ছিলেন। তিনি জাপানের জিয়া পরিষদ ও জাপান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

 

বেগম হেলেন জেরিন খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

সংসদ সদস্য

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

বেগম হেলেন জেরিন খান । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

সাধারণত সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন