মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী (৩ জানুয়ারি ১৯৫৫–১১ মার্চ ২০২১) বাংলাদেশের সিলেট জেলার রাজনীতিবিদ যিনি সিলেট-৩ আসনের সংসদ -সদস্য ছিলেন।

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

মাহমুদ উস -সামাদ চৌধুরী ৩ জানুয়ারি ১৯৫৫ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সিলেটে ফেঞ্চুগঞ্জের নূরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী ও মাতা আছিয়া খানম চৌধুরী। তার এমবিএ ডিগ্রি ছিল, যা তিনি যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেছিলেন। তার স্ত্রী ফারজানা সামাদ চৌধুরী, এই দম্পতির ১ ছেলে।

রাজনৈতিক জীবন

মাহমুদ উস- সামাদ চৌধুরী সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সিলেট-৩ আসন থেকে সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হয়ে ছিলেন। তিনি শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালের ২৯ জানুয়ারি তিনি “১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার” প্রসঙ্গটি সংসদে উত্থাপন করেন।

 

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

মৃত্য

মাহমুদ উস -সামাদ চৌধুরী ১১ মার্চ ২০২১ সালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

সংসদ -সদস্য

সংসদ- সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদসদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংস সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ -সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ -সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ -সদস্য হন। সংসদ -সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ -সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

মন্তব্য করুন